শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০১৯
Home Blog Page 3

কৃত্রিম লাইন তৈরি করে বাধা দিচ্ছে ছাত্রলীগ: ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী

ছাত্রলীগ কৃত্রিম লাইন তৈরি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মেস্তাফিজুর রহমান।

সোমবার (১১ মার্চ) সকালে হাজী মোহাম্মদ মহসিন হলের ভোট কেন্দ্রের পরিস্থিতি দেখতে এসে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নির্বাচনের পুরো পরিবেশ ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন প্রার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মীরা। গেটগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুরোটা প্রশাসনের হওয়ার কথা থাকলেও আমরা দেখছি পুরো নির্বাচনের পরিবেশ ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে।’

ভিপি প্রার্থী মেস্তাফিজুর বলেন, ‘আমি এফ রহমান হলে গিয়েছিলাম, এখন মহসিন হলে আসছি। একই ধরনের পরিস্থিতি। ভোট কেন্দ্রে কৃত্রিম একটি লাইন তৈরি করে রাখা হয়েছে। লাইনে যারা দাঁড়িয়েছেন তারা অন্য ভোটারদের লাইনে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না।’

জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বাড়তি অর্থ বিনিয়োগ করতে চায় সরকার : অর্থমন্ত্রী

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন চীন নিঃসরণ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, ‘যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মোট উৎপাদনের সমপরিমাণ। বাংলাদেশ এই পরিবেশ বিপর্যয়ের বড় ভুক্তভোগী। তাই নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সব রকম উদ্যোগ নিবে সরকার। এমনকি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পেও বাড়তি অর্থ বিনিয়োগ করতে চায় সরকার।’

আজ রোববার সকালে ক্লিন এনার্জি সম্মেলনের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

মন্ত্রী এ সময় পরিবেশ রক্ষায় ক্লিন এনার্জি ব্যবহারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘জলবায়ুর হাত থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় একযোগে কাজ করতে হবে।’ বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, ‘সীমিত জমিতে বেশি পরিমাণ জ্বালানি শক্তি উৎপাদনে নজর দিতে হবে। একইসঙ্গে জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর নজর দিতে হবে।’

‘ডাকসু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ছাত্রসমাজে রাজনীতির সুবাতাস বইছে’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু ) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ছাত্রসমাজে রাজনীতির একটি সুবাতাস বইতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন,‘আগামীকাল ডাকসু নির্বাচন। এই নির্বাচনে ছাত্রদল অংশগ্রহণ করেছে আমি এটাকে স্বাগত জানাই। কারণ ২৮ বছর ডাকসু নির্বাচন হয়নি। আরেকটি ক্যান্সারের সৃষ্টি করা হয়েছিল। আমাদের দেশে যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গড়ে ওঠার কারখানা সেই কারখানা বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ছাত্রসমাজে রাজনীতির একটি সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। এটা যদি চালু রাখা যায় তাহলে আমাদের দেশের জন্য ভালো হবে আমরা ছাত্ররাজনীতির ব্যক্তি গড়ে তুলতে পারবো।’

রবিবার (১০ মার্চ) ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের আহ্বায়ক কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এমন সময় কৃষক দলের নেতৃত্বে পেলেন যখন দেশে ভয়াবহ সংকট চলছে। এ সংকট শুধু বিএনপির নয়, গোটা জাতির। একটি বণ্য হাতি যখন একটি ক্ষেতে ঢুকে সব ফসল নষ্ট করে তেমনি বাংলাদেশে একটি দানব ঢুকে সমস্ত অর্জন ধ্বংস করে ফেলেছে। একেবারে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। আমাদের যা অর্জন, আমাদের চিন্তা-ভাবনা ও মূল্যবোধ। আমরা যে ধারণার উপর ভর করে সারাটা জীবন গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি, লড়াই করেছি, একটি মুক্তিযুদ্ধ করে রাষ্ট্র গঠন করেছি সেই সব কিছু এই দানব ধ্বংস করে ফেলেছে।’

দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলার বর্ণনা দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন,‘গায়েবি মামলা কেউ দেখেছে বা শুনেছে বলে আমার জানা নেই। আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা সংখ্যা ৯৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আসামির সংখ্যা এটি ইংরেজিতে বলতে গেলে বলতে হয় ২.৫ মিলিয়ন অর্থাৎ ২৫ লাখ। ওরা(ক্ষমতাসীনরা) চিন্তাও করতে পারে না এমন অবস্থা হয়েছে দেশের।’

দলের চেয়ারপারসন বেগম জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ জানিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন,‘একটি ভুয়া, মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সাজা দেয়া হলো। নিম্ন আদালতে সেই সাজাকে বাড়িয়ে ১০ বছর করলো। বেগম জিয়া এখন অত্যন্ত অসুস্থ। তিনি বসতে পারেন না। তাকে বিছানা থেকে তুলতে একজন সাহায্যকারীকে দরকার হয়। এটা মানব অধিকারের একটি সুস্পষ্ট লংঘন। এই সরকারের বিরুদ্ধে এই রকম আইন লংঘনের ঘটনা আমি যদি বলতে থাকি সারাদিন বলতে পারেবো।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন,‘ডিসেম্বরে একটি সংসদ নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনে আমরা জোট গঠন করে, ঐক্য ফ্রন্ট গঠন করে অংশগ্রহণ করেছিলাম। চিন্তা করেছিলাম জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। কিন্তু তারা একটি ক্রিমিনাল মাইন্ড নিয়ে গোটা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে।’

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন গঠন করার সময় আমরা বলেছিলাম একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হোক। রাষ্ট্রপতির কাছে আমরা বলেছিলাম কিন্তু আওয়ামী লীগ তাদের একেবারে পোষ্যদের নিয়ে এ নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। আর তারা সম্পূর্ণ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যা করেছে এটা নজিরবিহীন। তারাই নির্বাচনের ব্যবস্থাকে একেবারে ধ্বংস করে ফেলেছে। তাই দেশের জনগণের এখন নির্বাচনের প্রতি আস্থা নেই। যার ফলে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে যায়নি। উপজেলা নির্বাচনে জনগণের আগ্রহ নেই। আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখতে পাচ্ছি ইতোমধ্যে ৭০-৮০ জন প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি অনেককে বলতে শুনেছি, প্রশাসন এখন তাদেরকে (ক্ষমতাসীনদের) বলছে আপনাদেরকে আমরা জয়ী করেছি, নির্বাচন আমরা করেছি। এখন যা করার আমরা করবো, আপনারা চুপ করে বসে থাকেন। এখন এই অবস্থা দাঁড়িয়েছে। মানুষ এখন কোথায় যাবে? কার কাছে যাবে?’

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময়ই গণতন্ত্র ধ্বংসকারী একটি দল। ৭২ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর নিজেদের সংবিধান নিজেরাই ধ্বংস করেছে। তারা মানুষের অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়েছে। তখন ‘রক্ষীবাহিনী’ নামে একটি দল ছিল। যারা গণতন্ত্রকামী ব্যক্তিদেরকে হত্যা করেছে, নির্যাতন করেছে। তারা মুখে মুক্তির কথা বললেও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না, তারা সব সময় ফ্যাসিবাদী, কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে। সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতি তারা যেটা করছে বিশ্বাস আস্থা নষ্ট করে ফেলছে। তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কি দিচ্ছে?  মিথ্যাচার ও ভোট ডাকাতির মাধ্যমে যারা ভয়াবহভাবে দুর্বৃত্ত তাদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করছে। তারা ইয়াবার বিরুদ্ধে অভিযান করছে, কিন্তু যিনি ইয়াবা সম্রাট তিনি তাদের দলের একটি দায়িত্বে আছেন এবং তিনি বাহিরে আছেন। অথচ আমাদের নিরাপরাধ নেত্রী জেলের ভিতরে আছেন। এখন আমাদের দলের একটাই দায়িত্ব বেগম জিয়াকে মুক্ত করা এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু’র সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সঞ্চালনায় সভায় কৃষক দলের যুগ্ম-আহবায়ক তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম, নাজিম উদ্দিন মাস্টার, জামাল উদ্দিন খান মিলন, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জিয়াউল হায়দার পলাশ,এস কে সাদি,অ্যাডভোকেট নাসির হায়দার, মাইনুল ইসলাম, মো. আলিম হোসেন, অধ্যক্ষ সেলিম হোসেন, মিয়া মো.আনোয়ার, বায়জিদ বোস্তামী, মোজাম্মেল হক মিন্টু, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন,আব্দুর রাজি,এম জাহাঙ্গীর আলম,কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ,শরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পুনর্র্নিবাচন দিয়ে প্রমাণ করুন আপনার বিবেক আছে: সিইসিকে মোশাররফ

খন্দকার মোশাররফ হোসেন

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উদ্দেশ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘আপনারা স্বীকার করেছেন ২৯ ডিসেম্বর রাতে ভোটের বাক্স ভর্তি হয়েছে তাহলে পুনর্র্নিবাচনের ব্যবস্থা করে অথবা পদত্যাগ করে প্রমাণ করুন আপনার বিবেক আছে।’

রবিবার (১০ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংগ্রাম নারী ও জীবন’ আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

মোশাররফ বলেন, ‘আমরা অন্ধকার যুগে প্রবেশ করেছি যেখানে মানুষের কথা বলার কোনো অধিকার নেই। বাংলাদেশের সকল মানুষ আজ অধিকার থেকে বঞ্চিত। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তাহলে সকল মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে। মানবাধিকার ফিরে পাবে। আর তাদের ভোটাধিকার পাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধুমাত্র নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করলে হবে না। এদেশে গণতন্ত্রের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তাহলে নারীরা এগিয়ে যেতে পারবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ছাড়া নারীরা এগিয়ে যেতে পারবে না। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা ছাড়া এদেশের গণতন্ত্র মুক্ত করা যাবে না।’

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘ বেগম খালেদা জিয়া হলেন গণতন্ত্রের মা। তার নেতৃত্বেই এদেশের গণতন্ত্র মুক্ত করতে হবে। মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধার করতে হবে। মানুষের অধিকার না থাকলে নারীর অধিকার কোথা থেকে আসবে। নারী-পুরুষ সকলকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করার জন্য বাংলাদেশের সকলকে সমানভাবে অবদান রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল সেখানে ২৯ ডিসেম্বর রাতে ভোট ডাকাতি হয়ে গেছে। যেমনি ভাবে একজন নারীর ভোটাধিকার বঞ্চিত করেছে, তেমনি ভাবে একজন পুরুষের ভোটার অধিকারও বঞ্চিত করেছে এই সরকার।’

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. শাহিদা রফিক, প্রফেসর ড. তাজমেরী ইসলাম, সেলিনা রউফ, লায়লা হক, ফরিদা ইয়াসমিন, রাশেদা ওয়াহিদ মুক্তা প্রমুখ।

বর্ষার আগে রোহিঙ্গাদের ভাসান চরে স্থানান্তর : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্ষা মৌসুমের আগেই বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদেরকে ভাসান চরে স্থানান্তর করতে চায় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। আজ রোববার সকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসনে ওমেন সামিট অ্যান্ড এসডিজি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার তাদেরকে (রোহিঙ্গা) স্থানান্তরের জন্য এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে কিছু উন্নয়ন সংস্থা রোহিঙ্গাদেরকে ভাসান চরে যেতে নিরুত্সাহিত করছে। যে কারণে স্থানান্তর প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।’

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে অভিযুক্ত মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতিনিধি দলকে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ।’

মিয়ানমারকে বন্ধুপ্রতীম দেশ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে বলেছিলেন রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাবেন। আমরা বিভিন্ন অ্যারেজমেন্টও করেছিলাম নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তারা কথা রাখছেন না।’

​আন্দোলন ছাড়া কোনও বিকল্প কিছু নেই: দুদু

জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে চাইলে এবং তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে চাইলে আন্দোলন ছাড়া কোনও বিকল্প কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু।

তিনি বলেছেন, ‘কৃষক দলের এই কমিটিতে নতুন একটি গতিশীল সংগঠন তৈরি হয়েছে। এখন আমাদের মুখ্য বিষয় হচ্ছে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং হাজার হাজার মামলার আসামি আমাদের নেতাকর্মী তাদের মুক্ত করা।’

রবিবার (১০ মার্চ) ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের আহ্বায়ক কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘দেশে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার, গণবিরোধী সরকার, একদলীয় সরকার বিরাজ করছে। এই সরকারকে অপসারণ করাই হচ্ছে আমাদের একমাত্র কাজ। কারণ এদেশে যা কিছু সুন্দর যা কিছু ভালো সব জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার হাত দিয়ে পেয়েছি আমরা। তার সবকিছু ধ্বংস করেছে এই অবৈধ সরকার। শিক্ষা-সংস্কৃতি কৃষি, শিল্প যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই দেখবেন ধ্বংস নিলা খেলা।’

কৃষক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সংগঠনটির আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘আমরা আন্দোলনকে সমৃদ্ধ করার জন্য কৃষক দলকে সুসংগঠিত করবো। বিএনপিকে শক্তিশালী করবো। অসুস্থ বেগম জিয়াকে বাঁচাতে চাইলে, মুক্ত করতে চাইলে এবং গণতন্ত্রকে বাঁচাতে চাইলে, প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে আন্দোলন ছাড়া কোনও বিকল্প কিছু নেই।’

কৃষক দলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কৃষক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম, নাজিম উদ্দিন মাস্টার জামাল উদ্দিন খান মিলন, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জিয়াউল হায়দার পলাশ, এস কে সাদি, অ্যাটভোকেট নাসির হায়দার, মাইনুল ইসলাম, মো. আলিম হোসেন, অধ্যক্ষ সেলিম হোসেন, মিয়া মো. আনোয়ার, বায়জিদ বোস্তামী, মোজাম্মেল হক মিন্টু, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, আব্দুর রাজি, এম জাহাঙ্গীর আলম, কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘সুস্থ বলেই চিকিৎসা নিতে চাইছেন না খালেদা জিয়া’

কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিজেকে সুস্থ মনে করছেন বলেই হয়তো চিকিৎসা নিতে চাইছেন। আজ রোববার দুপুর দেড়টার দিকে এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।

আজ দুপরে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল। তবে হাসপাতালের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন সত্ত্বেও খালেদা জিয়া সেখানে যেতে রাজি নন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী খালেদার চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়। আমাদেরও প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু তাকে জানানোর পর তিনি হাসপাতালে যেতে অনীহা প্রকাশ করেছেন।’

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট ও জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড নিয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রয়েছেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া সোজা হয়ে বসতে পারছেন না: ফখরুল

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, তিনি সোজা হয়ে দাঁড়াতে ও বসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) কৃষক দলের নবগঠিত কমিটির এক সভায় তিনি এ কথা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, সোজা হয়ে বসতেও পারছেন না তিনি। মিথ্যা মামলা দিয়ে একজন নেতা, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, যিনি সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছেন গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করর জন্য তাকে আটকে রাখা হযেছে।’

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া জীবনে ব্যক্তিগত সুবিধা, পারিবারিক সুবিধা কোনো কিছুর দিকে লক্ষ্য করেননি। অথচ সরকার তাকে জেলে আটকে রেখেছে একটি মিথ্যা মামলায়, গায়েবি মামলায়। এটা কোথাও কেউ শুনেছে কোনো কালে, দেখেছে কোনো কালে, আমি জানি না।

সভায় কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু, সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, নির্বাহী সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএসএমএমইউ’তে আসতে ‘খালেদা জিয়ার অনীহা’: কারা কর্তৃপক্ষ

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নিয়ে আসা হবে, কিন্তু খালেদা জিয়া বিএসএমএমইউ হাসপাতালে আসতে অনীহা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে পুরান কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম সাংবাদিকদের এতথ্য জানান।

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নিতে আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বিষয়টি বেগম জিয়াকে জানালে তিনি হাসপাতালে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন।

এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল্লাহ আল হারুন জানান, খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বিএসএমএমইউতে আনা হচ্ছে। এজন্য তারও সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

এর আগে সকালে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘আমরা শুনছি, আজকে ম্যাডামকে হাসপাতালে আনা হবে। হাসপাতালে ৬ তলার কেবিনে রাখা কথা বলা হয়েছে।’

খালেদা জিয়াকে নিয়ে আসার জন্য হাসপাতাল ও পুরান কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকা বিশেষ নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানীর কেন্দ্রীয় কারাগার, পুরান ঢাকা, আলিয়া মাদ্রাসা চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগসহ আশপাশের এলাকায় কয়েকস্তরের নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় কারাগার ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সব ধরনের যান চলাচল শিথিল করা হয়েছে। কারাগার এলাকায় জনসাধারণের চলাচল এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।

কাল কেবিনে আনা হতে পারে কাদেরকে

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের ক্রম উন্নতি হচ্ছে। চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বাভাবিক তিনি কথা বলছেন। সোমবার (১১ মার্চ) তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হতে পারে।

ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা সমন্বয়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক এবং নিওরোলজিস্ট প্রফেসর ডা. আবু নাসার রিজভী রবিবার (১০ মার্চ) সকালে এ তথ্য জানান।

এর আগে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের কার্ডিও থোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি মন্ত্রী কাদেরের চিকিৎসার সর্বশেষ অগ্রগতি পরিবারের সদস্যদের জানান।

সাংবাদিকদের সঙ্গে ডা. আবু নাসার রিজভীর আলাপের সময় ওবায়দুল কাদেরের সহধর্মিনী বেগম ইসরাতুন্নেসা কাদের, ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (জিসিসি) মেয়র জাহাঙ্গীর আলমসহ সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. আবু নাছেরের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

শনিবার (৯ মার্চ) জানানো হয়, সকালে ওবায়দুল কাদেরের শ্বাসনালীর নল খোলা হয়েছে। তার রক্তচাপ স্বাভাবিক, হৃদযন্ত্র ও কিডনি কার্যক্ষম রয়েছে। ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এছাড়া নিওরোলজিক্যাল কোনো সমস্যাও নেই।

উল্লেখ্য, রবিবার (৩ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে বিএসএমএমইউ’র আইসিইউতে ভর্তি করা হয় সরকার ও আওয়ামী লীগের এই মুখপাত্রকে। সেখানে চিকিৎসকরা তার শরীর চেকআপ করেন। পরামর্শ দেন দ্রুত এনজিওগ্রাম করার। এনজিওগ্রাম করার পর ৩টি ব্লক ধরা পড়ে। একটি ব্লক খুলে রিং পরানো হয়। এরপর উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের কারণে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

ওইদিন রাতেই বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছায়। সঙ্গে এসেছিলেন সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের দুই চিকিৎসক ও দুই সেবিকা।

পরের দিন সোমবার দুপুরে বিশ্বের অন্যতম সেরা হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র বেঙ্গালুড়ু নারায়না ইন্সটিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেস’র প্রতিষ্ঠাতা ও উপমহাদেশে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠি বিএসএমএমইউ’তে কাদেরের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। তার পরামর্শেই ওইদিনই ওবায়দুল কাদেরকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়।

নারীকে ভীতু না হয়ে ক্ষমতা প্রয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভীতু না হয়ে অধিকার আদায় এবং ক্ষমতা প্রয়োগে নারীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভীতু না হয়ে অধিকার আদায় এবং ক্ষমতা প্রয়োগে নারীদের সচেতন হতে হবে।’

ইসলাম ধর্মই নারীদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসলাম ধর্মই নারীদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছে। অথচ ধর্মের নামে কেউ কেউ নারীদের ঘরে আটকে রাখার চেষ্টা করেন।’

তবে যে বা যারা নারী-শিশুর ওপর ‍নির্যাতন চালায়, তাদের বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি পরিচয় প্রকাশের মাধ্যমে সামাজিকভাবে হেয় করারও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও ক্ষমতা দিয়েছি তবে সব জায়গায় ক্ষমতাটা তারা (নারী) অনেকে প্রয়োগ করতে পারেন না। সেটা আমি বলব যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের নিজেদের ক্ষমতাটা নিজেদেরকে অর্জন করে নিতে হবে। কেউ হাতে তুলে কখনো দেয় না, এটা হলো বাস্তবতা।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের নারী সমাজও পিছিয়ে ছিল না। সেটা আমরা সব সময় স্মরণ করি। কাজেই আমরা নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করেছি।’

ডাকসু নির্বাচনে ঢাবির প্রবেশ মুখে ২৪ ঘণ্টা চেকপোস্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ মুখে চেকপোস্ট বসবে। আজ শনিবার ঢাবি এলাকা পরিদর্শনকালে এক বিফ্রিংয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া এ তথ্য জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ডাকসু নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতি ছাড়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ ছাড়া জনসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ গুচ্ছ আকারে থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শ এবং চাহিদা মোতাবেক আমরা প্রস্তুত থাকব। যখনই বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের নির্দেশ দিবেন তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। ’

হলে হলে যেখানে ভোট হবে প্রত্যেকটি কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘গেটে থাকবে আর্চ মেটাল ডিটেক্টর, তল্লাশি করা হবে। সেখানে প্রক্টরিয়াল বডি, সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ, হল কর্তৃপক্ষ এবং আমাদের বিএনসিসি সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। ’

শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এই সংলগ্ন প্রত্যেকটি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করার কেউ চেষ্টা করলে, শৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা করলে, অনিয়ম করার চেষ্টা করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ কাজে আমরা তাদের সহযোগিতা করবো। ’

এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি প্রবেশপথ (নীলক্ষেত, শাহবাগ ও হাইকোর্ট) বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় থাকবে। এই তিনটি প্রবেশপথ দিয়ে শুধু ভোটার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ পরিচয়পত্র দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও বের হবেন।

ভোট কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাসযুক্ত যানবাহন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত এই তিনটি গেট দিয়ে চলাচল করবে। শিক্ষার্থীদের অবাধ চলাচল ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ও স্টিকারযুক্ত যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন ক্যাম্পাসে ঢুকবে না। সর্বসাধারণকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

জনপ্রিয়

গরম খবর