শুক্রবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৯
Home Blog Page 5

সৈয়দ আশরাফকে নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: সৈয়দ আশরাফ ছিলেন একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন পলিটিশিয়ান। তিনি একজন কমিটেড ও ডায়নামিক লিডার ছিলেন। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের অ্যাসেট।

শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদক মণ্ডলীর সাথে সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সাথে যৌথসভার পূর্বে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সদ্য প্রয়াত বর্ষীয়ান রাজনৈতিবিদ সৈয়দ আশরাফের মৃত্যু গভীর শোক ও স্মৃতিচারণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন: তিনি দুর্দিনে দলের হাল ধরেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সাথে লড়ে হেরে গেছেন। জিতে গেছে ক্যান্সার। মৃত্যুর কাছে পরাজিত হয়েছেন, এখানে অবধারিত মৃত্যুরই জয় হয়েছে।

এসময় সৈয়দ আশরাফের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি বলেন: ‘আজ এই যৌথসভার শুরুতেই তার বিদায়ী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’

এসময় যৌথসভায় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

যে প্রহসন হয়েছে এটা দেশকে গণতন্ত্রহীনতা এবং অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে যে ধরনের নৃশংসতা হয়েছে তা ইতিহাসে বিরল। এতে জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছে। নির্বাচনের নামে দেশে যে প্রহসন হয়েছে এটা দেশকে গণতন্ত্রহীনতা এবং অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। আমরা এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো।

শনিবার দুপুরে নোয়াখালী সুবর্নচরের গণধর্ষনের ঘটনায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভিকটিমকে দেখতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে যে ঘটনা ঘটেছে, এটা যারা ঘটিয়েছে এবং এর পেছনে যারা রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিচার করতে হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

এর আগে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সুবর্ণচরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারীকে দেখতে নোয়াখালী আসেন মির্জা ফখরুলসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সেখানে তারা কিছুক্ষণ তার পাশে বসেন ও ভিকটিমের কথা শোনেন। পরে তাকে নগদ আর্থিক সহযোগিতা করেন।

মির্জা ফখরুলের সঙ্গে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আসেন আ স ম আবদুর রব, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুবউদ্দিন খোকন, জয়নাল আবেদিন ফারুক, বরকতউল্লাহ বুলু, মো. শাহজাহান, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, শামীমা বরকত লাকীসহ আরও অনেকে।

স্বজনদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, রোববার (৩০ ডিসেম্বর) নির্বাচনের দিন সেই নারী ধানের শীষে ভোট দিয়ে ফেরার পথে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন। এরপর রাতে রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন মিলে ওই গৃহবধূর বাড়িতে গিয়ে তার স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে তাকে বাইরে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করেন। এছাড়া ওই দম্পতি এবং তাদের সন্তানদের পিটিয়ে জখম করেন তারা।

পরে এ ঘটনায় সোমবার রাতে ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে সুবর্ণচরের চরজব্বার থানায় মামলা করেন। এ মামলায় ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি সোহেলসহ এ পর্যন্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‘বিএনপির নালিশ ছাড়া আর কোন অবলম্বন নেই’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলন এবং নির্বাচনে ব্যর্থ হওয়ার পর বিএনপির এখন বিদেশিদের কাছে নালিশ করা ছাড়া আর কোনও অবলম্বন নেই।

শনিবার সকালে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমল্ডলী এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত যৌথসভার শুরুতে দেয়া সূচনা বক্তব্যের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশিদের কাছে নালিশ করা ছাড়া এখন তাদের (বিএনপি) আর অবলম্বন কী? ১০ বছর ধরে একটা আন্দোলন করতে পারেনি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনেও ব্যর্থ, এখন তাদের আর অবলম্বন কী আছে? দেশের লোকের কাছে তো অনেক বলেছে, এখন বিদেশিদের কাছে তারা নালিশ করে যাচ্ছে। সেটা তাদের পুরানো অভ্যাস, পুরোনো অভ্যাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল যেসব কথাবার্তা বলছেন, এটা আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ একজন রাজনীতিকের অসংলগ্ন সংলাপ।

অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে এবার আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ দাবি করে আওয়ামী লীগের এ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একটি উদাহরণ দিয়ে বলি। শুধু হাতিয়ার দিকে দেখুন। সেখানে সাংগাঠনিকভাবে সমস্যা সংকুল। যেখানে বারবার আমরা চেষ্টা করেও নেতাদের এক করতে পারি নাই। এবার কঠিন ঐক্য ছিল, এক মঞ্চে সবাই। নির্বাচনের পরেও তারা ঐক্যবদ্ধ আছে।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সৈয়দ আশরাফের ব্যাপারটা আমাদের ওপর ছেড়ে দিন। নিশ্চয়ই আমাদের যে বেশি দরদ আপনাদের নেই। আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আমাদের নেতাকর্মীদেরও এখানে অনুভূতি আছে। কিন্তু চিন্তা করতে হবে তিনি কতদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। এ ধরনের কঠিন ব্যাধির পর তাকে এতদিকে টানা হেঁচড়া করা উচিত হবে না। এসব অনেক কিছু বিবেচনা করেই আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে এই প্রোগ্রামটা সাজিয়ে দিয়েছেন। সৈয়দ আশরাফের প্রতি শ্রদ্ধার কোনও কমতি আমাদের নেই।

এর আগে প্রয়াত আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, মাহাবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা।

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ হলেন মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ

একাদশ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দলের চিপ হুইপ হলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ। পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ তাকে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মনোনীত করেন।

আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এরশাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের স্বাক্ষর করা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্পিকার বরাবর শুক্রবার রাতে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। পদাধিকার বলে জাতীয় পার্টির পার্লামেন্টরি দলের সভাপতি হিসেবে আমি প্রধান
বিরোধী দলীয় নেতা এবং পার্টির কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের উপ-নেতা এবং পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গাঁকে বিরোধী দলীয় চীপ হুইপ হিসেবে মনোনীত করা হলো।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়ী হয়েছে। এরমধ্যে জাতীয় পার্টির রয়েছে ২২টি আসন। মহাজোটের বিরোধী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ নির্বাচনে মাত্র ৭টি আসনে জয়ী হয়েছে।

আওয়ামী লীগ ও প্রশাসন গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে: নোয়াখালীতে ফখরুল

আওয়ামী লীগ ও প্রশাসন এখন গণশত্রু: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। এ ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ ও প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে।

নির্বাচনী সহিংসতায় নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার নারীকে দেখতে যাওয়ার পথে শনিবার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা বিশ্বরোডে জমজম হোটেলে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের দিন এবং এরপরের সহিংসতার মধ্য দিয়ে গোটা বাংলাদেশে একটা সহিংস ত্রাস এবং নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে। জনগণের কাছে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি এই সহিংসতা প্রতিরোধের। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনকে আমরা বলেছি এই সহিংসতা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি নোয়াখালীতে আমাদের একজন বোন ধর্ষিত হয়েছেন। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছি এবং সারাদেশে সর্বত্র যে সহিংসতা হয়েছে, তার নিন্দা জানাচ্ছি।
এই সফরে ফখরুলের সঙ্গে একই গাড়িতে রয়েছেন নোয়াখালীর ওই আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য, দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

নোয়াখালীর পথে শনিবার সকালে ঢাকায় দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে রওনা হন বিএনপি মহাসচিবসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

কৃষক, শ্রমিক, জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, হারুনুর রশীদ, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় নেতা রেহানা আখতার রানু, সৈয়দ আসিফা আশরাফী পাপিয়া এই সফরে রয়েছেন।

চলে গেলেন সৈয়দ আশরাফ

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম মারা গেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)।

আজ বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বামরুগ্রাদ হাসপাতালের ১১৩২ নম্বর কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে অসুস্থতার কারণে বিলম্বে শপথ নেয়ার সময়ে চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে চিঠি দিয়েছিলেন সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বুধবার স্পিকারের দপ্তরে চিঠিটি আসে।

অসুস্থতার কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি সংসদ থেকে ছুটি নেন।

দেশে না থেকেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১লা জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আশরাফুল ইসলাম ৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন।

১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মন্ত্রিসভা গঠিত হলে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পুনরায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
এরপর ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে বহাল ছিলেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

জাতির সঙ্গে নিষ্ঠুর উপহাস করা হয়েছে: ফখরুল

এবারের নির্বাচনে (একাদশ সংসদ নির্বাচন) জাতির সঙ্গে নিষ্ঠুর উপহাস করা হয়েছে।দলীয় সরকারের অধীনে কখনই সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়, তা আবারও প্রমাণ হয়েছে। বললেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে (ইসি ভবন) স্মারকলিপি দেয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্মারকলিপি দেয়ার সময় কমিশনের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনও কথা হয়নি। তারা শুধু স্মারকলিপি জমা দিয়ে যান।এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আরও ছিলেন- বিএনপির একাদশ জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য

ড. আব্দুল মঈন খান, বাংলাদেশের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক

ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু।

স্মারকলিপিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল, অবিলম্বে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচনের দাবি জানান।

ঐক্যফ্রন্টের দাবি মানা না হলে পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা পরে জানাবেন। এটা তো প্রমাণই হলো ২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করেছিলাম সেটাই সঠিক।দলীয় সরকারের অধীনে কখনই সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না।অনতিবিলম্বে নির্বাচন বাতিল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জোর দাবি জানাচ্ছি।

ইসিতে যাওয়ার আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

শপথ নিতে স্পিকারের কাছে সময় চাইলেন সৈয়দ আশরাফ

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

অসুস্থতার কারণে বিলম্বে শপথ নেয়ার সময়ে চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে চিঠি দিয়েছেন সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

বুধবার স্পিকারের দপ্তর এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পৌঁছেছে।

চিঠি পাওয়ার পর শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, উনার (সৈয়দ আশরাফ) চিঠি পেয়েছি। এমনিতেই ৯০ দিন সময় উনি পাবেন। উনি দেশে ফিরে আসার পর শপথ নিতে চান।

ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৬৮ বছর বয়সী সৈয়দ আশরাফ এখন থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসুস্থতার কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন তিনি।
দেশে না থেকেও সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন।

আজ বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচিত এমপিরা শপথ নিয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যরে মধ্যে ২৯১ জন প্রতিনিধি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে দশম সংসদ বিলুপ্ত এবং একাদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হল।

নির্বাচনের পর ১ জানুয়ারি নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।

গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকতে হবে। প্রথম অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে বা স্পিকারকে অবহিত না করলে সদস্য পদ খারিজ হবে।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দশম জাতীয় সংসদের জনপ্রশাসন মন্ত্রী ছিলেন।

সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা - Sheikh Hasina

জাতীয় সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। টানা তৃতীয়বারের মতো এ পদে অধিষ্ঠিত হলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তিনি সংসদ নেতা নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বেলা ১১টার পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছ থেকে শপথ নেন।

শপথগ্রহণ শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদ নেতা হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রস্তাবে সমর্থন করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু।

এরপর সভায় উপস্থিত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে শেখ হাসিনাকে সংসদ নেতা ও আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভাপতি হিসেবে নির্বাচন করেন।

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়েছে বামজোট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘নজিরবিহীন ভোট ডাকাতির নির্বাচন’ উল্লেখ করে তা বাতিল ও পুনরায় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক জোট।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মুখে কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ করে বামপন্থী ৮ দলীয় এ জোটের কয়েকশ’ নেতাকর্মী।

অবস্থান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির নেতা মোশরেফা মিশুসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বাম জোটের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।

তিনি বলেন, গোটা দেশকে অবরুদ্ধ করে কোটি কোটি ভোটারের অধিকার হরণ করে আরও একবার যে জবরদস্তিমূলক প্রহসনের নির্বাচন মঞ্চস্থ করা হলো বাম গণতান্ত্রিক জোট এ নির্বাচন ও নির্বাচনের ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করছে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ভেঙে দিয়ে গোটা নির্বাচনকে ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে। আশঙ্কানুযায়ী নির্বাচন সরকারের ছকেরই বাস্তবায়ন হয়েছে। ভোর থেকে দেশব্যাপী ভোট কেন্দ্র দখল, প্রকাশ্যে জালিয়াতি, ব্যালট পেপারে প্রকাশ্যে নৌকা মার্কায় সিল মারতে বাধ্য করা ও বিরোধী ভোটারদের জোর করে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার মতো নানা ঘটনায় সমগ্র নির্বাচনকে পুরোপুরি অর্থহীন ও হাস্যকর করে তোলা হয়েছে।

বাম জোট জানায়, এ নির্বাচন প্রমাণ করে দলীয় সরকারের অধীনে বাংলাদেশের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশে অবাধ নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই এ নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচন জনগণের মতামতের কোনও প্রতিফলন ঘটেনি।

গত ৩০ ডিসেম্বর অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশবাসীকে প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ভুয়া ভোটে যাদেরকে নির্বাচিত বলে ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের প্রায় সবাইকে জনগণ ভুয়া প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত করছে।

নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরতে আগামী ১১ জানুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ১৩১ প্রার্থীকে নিয়ে গণশুনানি করবে বলেও জানানো হয়। এছাড়া প্রতিবাদ কর্মসূচিতে খুলনায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার ও নোয়াখালীতে গণধর্ষণ, সংখ্যালঘু নির্বাচনসহ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার প্রতিবাদ জানানো হয়।

এদিকে অবস্থান কর্মসূচিতে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নেয়া ঢাকা-৭ আসনের প্রার্থী খালেকুজ্জামান লিপন, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা: সাজেদুল হক রুবেল, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী আবু নাঈম খান বিপ্লব, গাজীপুর-৪ আসনের প্রার্থী মানবেন্দ্র দেবসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবে ঐক্যফ্রন্ট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে-এমন অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রার্থীদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া এ বৈঠক চলে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। বৈঠক থেকে বের হয়ে বিএনপির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল এ কথা জানান। তিনি নেত্রকোনা-১ আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন।

ঐক্যফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না -এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ফ্রন্টের সিনিয়র নেতারা সিদ্ধান্ত নেবেন।

এছাড়া আজ বিকেল ৩টায় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) গিয়ে স্মারকলিপি দেবেন বলেও জানান তিনি।

এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (৩০ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীকে ২৫৭টি, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকে ২২, বিএনপি ৫, গণফোরাম ২, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৩, তরিকত ফেডারেশন ১টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ১ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩টি আসনে জয় লাভ করেছে।

এরশাদ শপথ নেননি

হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সদস্যরা শপথ গ্রহণ করলেও দলটির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এখনও শপথ গ্রহণ করেননি। তবে বিকেল তিনটার দিকে তার শপথ গ্রহণ করার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে জাতীয় পার্টির অন্য সাংসদদের শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এসময় শপথ নেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ, গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙা, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ফখরুল ইমামসহ দলটির অন্য সদস্যরা।

তবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদকে এসময় শপথ নিতে দেখা যায়নি। এর আগে বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এককভাবে বিকেলে শপথ নিবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মনজুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, স্যার (এরশাদ) বাসা থেকে দুপুরের পর বের হবেন। বিকেল তিনটায় এককভাবে শপথ নেবেন।

তবে ঠিক কী কারণে তিনি অন্যদের সঙ্গে শপথ নেননি সে বিষয়ে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে কোনো সদুত্তোর পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

গরম খবর