রাজিবের ক্ষতিপূরণের আদেশ স্থগিত, দোষীকে চিহ্নিত করতে তদন্তের নির্দেশ

27

দুই বাসের চাপায় হাত হারিয়ে মারা যাওয়া রাজিবের দুই ভাইকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। তবে এ ঘটনায় তদন্ত করতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিটি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

এ দুর্ঘটনার জন্য কে কতটুকু দায়ী তা নির্ধারণ করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কমিটিকে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের আলোকে হাইকোর্ট রাজীবের দুই ভাইকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন।হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে বিআরটিসির করা আবেদন নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার (২২ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে স্বজন পরিবহনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু ও বিআরটিসির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম বায়েজিদ। অপরদিকে রাজীবের পরিবারের পক্ষে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

গত ৮ মে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের নেতৃত্বহীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রাজীবের দুই ভাইকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ কোটি টাকা দেয়ার নির্দেশ দেন। বিআরটিসি ও ‘স্বজন পরিবহন’কে প্রাথমিক পর‌্যায়ে ২৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে প্রথমে আপিল দায়ের করে বিআরটিসি। এরপর তাতে সংযুক্ত হয় স্বজন পরিবহন। ওই আপিলের শুনানি শেষে আজ এ আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

গত ৩ এপ্রিল বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার সামনে দুইবাসের রেষারেষিতে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব হোসেনের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজীব মারা যায়।

গত ৪ এপ্রিল রাজীবের দুর্ঘটনায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। আদালত ওই রিটের প্রেক্ষিতে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন।