দন্ডসম্পর্কিত ধারাগুলো

161

দন্ডসম্পর্কিত ধারাগুলো

ধারা-৫৩  দন্ডসমূহ

এই বিধির বিধানসমূহ অনুযায়ী অপরাধকারীগন যে যে দণ্ডে দণ্ডার্হ হইবে তাহা হইতেছেঃ

প্রথমত মৃত্যু:

দ্বিতীয়ত যাবজ্জীবন কারাবাস:

তৃতীয়ত (বাতিল):

চতুর্থত কারাবাস; উহা দুই প্রকারের যথা:

(১) সশ্রম, অর্থাঃ কঠোর শ্রম সহকারে; ২) বিনাশ্রম;

পঞ্চমত সম্পত্তি বাজেয়াফত;

ষষ্ঠত অর্থদণ্ড।

ধারা ৫৩-ক। কারাবাস উল্লেখের ব্যাখ্যা:

(১) (২) উপধারার শর্তাবলী সাপেক্ষে, সাময়িকভাবে প্রচলিত অন্য যেকোন আইনে যেখানে যাবজ্জীবন ‘দ্বীপান্তর’ এর উল্লেখ আছে, সেখানে উহা ‘যাবজ্জীবন কারাবাস’ ধরিতে হইবে।

(২) বর্তমানে প্রচলিত যেকোন আইনে কোন মেয়াদের বা স্বল্প মেয়াদের জন্য যেকোনাভাবে হউক না কেন, দীপান্তরের উল্লেখ থাকিলে উহা রদ গণ্য হইবে।

(৩) বর্তমানে প্রচলিত অন্য যেকোন আইনে, যেখানে দীপান্তর উল্লেখ আছে:

(ক) সেখানে উহা যদি যাবজ্জীবন দীপান্তর বুঝায়, তাহা হইলে উহাকে যাবজ্জীবন কারাবাস ধরিতে হইবে;

(খ) সেখানে উহা যদি স্বল্পতর মেয়াদের দীপান্তর বুঝায়, তাহা হইলে ইহা রদ গণ্য হইবে।

ধারা ৫৪  মৃত্যুদন্ড হ্রাসকরণ

মৃত্যুদণ্ড দান করা যাইতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে এই বিধিবলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্পদণ্ডে রূপান্তরিত করিতে পারিবেন।

ধারা ৫৫  যাবজ্জীবন কারাবাস দণ্ড হ্রাসকরণ:

যাবজ্জীবন কারাবাস দণ্ড দান করা যাইতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে যেকোন বর্ণনার অনূর্ধ্বে ২০ বৎসর মেয়াদী কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবেন। তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা