
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম জেলা সফরেই নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আসছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঠাকুরগাঁও সফরের অংশ হিসেবে ২৩তম রাষ্ট্রপতি দুই দিন (৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর) সেখানে অবস্থান করবেন বলে গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির এই আগমনকে ঘিরে আনন্দে ভাসছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সর্বত্রই মানুষের মধ্যে উন্মুখ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রোববার নিজ জেলায় পা রাখছেন তিনি। রাষ্ট্রপতিকে বরণ করে নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ও নাগরিক সমাজ ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শহরের প্রাণকেন্দ্র বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনার জন্য বিশাল মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে এবং সড়কের আইল্যান্ডে রঙ ও সৌন্দর্য-বর্ধনের কাজ শেষ হয়েছে।
রোববার সফরের প্রথম দিনে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও পৌঁছাবেন রাষ্ট্রপতি। সার্কিট হাউসে পৌঁছে ‘গার্ড অব অনার’ গ্রহণ শেষে তিনি শহরের সেনুয়া গোরস্থানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে অবস্থান করে বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (বড় মাঠ) আয়োজিত এক বিশাল নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেবেন।
সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নিজ বাসভবনে গণমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পরে সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে তার ঠাকুরগাঁও সফর শেষ হবে এবং তিনি বঙ্গভবনে ফিরে যাবেন।
নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. মুহাম্মদ আবু খয়রুল কবির বলেন, রাষ্ট্রপতির প্রথম সফরকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে আমরা আশা করছি। সংবর্ধনা সফল করতে আমাদের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতির জেলার দুদিনের সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদারের কাজ শুরু হয়েছে। গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় করেছি। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানস্থল, যাতায়াতের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে।








