
জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আন্তরিক ভলোবাসা জানান তিনি।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, পৃথিবীর সব ধর্মই সাম্য, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব আর ভালোবাসার কথা বলেছে।
জন্মাষ্টমীর এই শুভলগ্নে আমি বিশ্ব শান্তি, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ব কামনা করছি। আশা করছি আগামী দিনে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ আরও সুদৃঢ় হবে।
মজবুত হবে মানুষে-মানুষে ভালোবাসার ঐক্য। বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য দৃঢ়ভাবে রক্ষা করবে।
তিনি আরও বলেন, সনাতন ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ শুভ জন্মাষ্টমীতে আমি স্মরণ করছি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে। তার দেশ পরিচালনার সময়ে ১৯৮৯ সাল থেকেই জন্মাষ্টমীর আনন্দ শোভাযাত্রা আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও জাঁকালো আয়োজনে ঢাকায় বের হয়।
পল্লীবন্ধু এরশাদ-ই অনুধাবন করেছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উৎসবমুখর জন্মাষ্টমীতে সরকারি ছুটির বিষয়টি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনের উৎসব ও আরাধনা নির্বিঘ্ন করতে জন্মাষ্টমীর দিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন এরশাদ। এছাড়া নগদ দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে হিন্দু কল্যাণ ট্রাষ্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমাদের প্রিয় নেতা। পাশাপাশি পূজা-অর্চনা এবং সারাদেশে মন্দির নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রতিবছর বিপুল বরাদ্দ দিয়েছেন।
সফল হোক শুভ জন্মষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত সব আয়োজন।
শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনাও করেন তিনি।