সোনাইমুড়ী দাড়ি পাল্লার গণসংযোগে আমজনতার গণজোয়ার

সৈয়দ মোঃ শহিদুল ইসলাম

আগামী এয়োদশ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলায় দাড়ি পাল্লার গনসংযোগে সাধারণ মানুষের গণজোয়ার দেখা গেছে। গণসংযোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ওয়ার্ড থেকে হাজার হাজার মানুষ সকাল থেকে দাড়ি পাল্লার মিছিলে যোগ দিতে ভিড় জমায় সোনাইমুড়ি কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে, এতে পুরো এলাকা পরিণত হয় দাঁড়িপাল্লার প্রতিধ্বনি।

আসন্ন আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ নির্বাচন, তাই প্রতিটি দলের প্রার্থী এবং প্রতীক জেতানোর জন্য সারা দেশের ন্যায় সোনাইমুড়ী উপজেলার ইউনিয়ন ওয়ার্ডগুলোতে চলছে বিভিন্ন দলের প্রচারণা লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ, তারই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী ১ চাটখিল – সোনাইমুড়ী দাড়ি পাল্লার প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ছাইফ উল্লাহর গণসংযোগে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১০ টা থেকেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায়।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ওয়ার্ড থেকে বিভিন্ন পেশার বয়সী হাজার হাজার মানুষ গণসংযোগে অংশগ্রহণ করে, এতে পুরো এলাকা পরিণত হয় দাঁড়িপাল্লার প্রতিধ্বনি, অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে গণসংযোগে উপস্থিত হন, নির্বাচন কে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দলকে আমরা ভোট দিয়েছি, আমাদের উন্নয়ন মূলক কোন উপকার হয় নাই এবার আমরা দাড়ি পাল্লায় ভোট দিব।

জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ছাইফ উল্লাহ বলেন, আমি ন্যায়, ইনসাফ ও কল্যাণময় সমাজ গড়ার লক্ষে, সৎ লোকের শাসন কায়েমের জন্য তাদের জান মাল দিয়ে সর্বোচ্চ চেস্টা করবো। এবং সোনাইমুড়ি উপজেলাকে মাদক সন্ত্রাস নির্মূলসহ একটি মডেল উপজেলা গড়ে তুলবো।

গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ছাইফ উল্লাহ, উপজেলা জামায়াতে আমির হানিফ মোল্লা, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, পৌর জামাতের আমীর আব্দুল মতিন, চাটখিল পৌর জামায়াতে আমির মাওলানা আক্তার হোসেন, ও ছাত্রশিবিরের নোয়াখালী উঃ সেক্রেটারী মুজাহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা।

এ সময় গনসংযোগ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়, ও সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে দাড়ি পাল্লার গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ দুপর ১২. ৩০ মিনিটে সোনাইমুড়ি কেন্দ্রীয় মসজিদে সামনে সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ করা হয়।