
আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে’র মধ্যে সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাঁচটি ধাপে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের ১৩তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
নির্বাচন কমিশনার জানান, যেসব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের সময় পার হয়ে গেছে বা এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনী চক্রের আইনি মেয়াদ পূর্ণ হবে, সেগুলোতে ২৭ মে’র মধ্যে ভোট সম্পন্ন করা হবে।
তিনি জানান, ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপে ২৭ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনে কোনো একক অঞ্চলকে আলাদা না করে সব জেলায় একযোগে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জেলার সদর উপজেলাগুলো এবং যেসব ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পার হয়ে গেছে (ওভারডিউ) সেগুলোকে প্রথম দিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত ১৭ জানুয়ারি নির্ধারিত থাকায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধ বিবেচনা করে প্রথম ধাপের ভোটের তারিখ ২১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ।
এনআইডি অনুবিভাগ ও স্মার্টকার্ড প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, দ্বিতীয় বিষয় যেটা আমরা আলোচনা করেছি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের আমাদের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক এবং আর্থিক কিছু ক্ষমতা নিয়ে। এখানে প্রাথমিক কিছু আলোচনা হয়েছে, বিস্তারিত একটা কমিটির মাধ্যমে সম্পাদন হবে। আমরা কিছু ইন্টার্নাল রিডিস্ট্রিবিউশন এলাও করেছি।
তিনি বলেন, আমাদের পার্সোনালাইজেশন সেন্টার নিয়ে একটা সমস্যা ছিল। চুক্তি ও অডিট অবজেকশনের ব্যাপারে আমরা সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছি, যাতে করে আগামী মাসের (নভেম্বর) মাঝামাঝি সময় থেকে পূর্ণ ক্যাপাসিটিতে পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে স্মার্টকার্ডগুলো প্রিন্ট করা যায়। একইসঙ্গে অডিট অবজেকশনসহ অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয়গুলো সমাধানের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।







