Home Blog Page 109

মানহানি সম্পর্কিত ধারা

0

মানহানি সম্পর্কিত ধারা

ধারা ৪৯৯ মানহানি

যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে বা এইরুপ জানিয়া বা এইরুপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পাঠের জন্য অভিপ্রেত শব্দাবলী বা চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে যে অনুরূপ নিন্দাবাদ অনুরূপ ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করিবে, সেই ব্যক্তি অতঃপর ব্যতিক্রান্ত ক্ষেত্রসমূহ ব্যতিত উক্ত ব্যক্তির মানহানি করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৫০০ মানহানির শাস্তিঃ

যে ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মানহানি করে সেই ব্যক্তি বিনাশ্রম কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে।তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

0

বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা 

দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধির বিভিন্ন ধারা

বাংলাদেশের আইনকানুন সমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণীতে চিহ্নিত করা যায়; বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি, এবং দেওয়ানী দন্ডবিধি। ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দন্ডবিধিকে আলাদাভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন নয়, এগুলো একে অপরের উপর নির্ভরশীল। অবশ্য এসব ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিশেষ আইন তৈরি হয়েছে।

দন্ডবিধি

দন্ডবিধি থেকে অপরাধ এবং অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে জানা যায়।  মোট ৫১১টি ধারা আছে দন্ডবিধিতে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ধারাগুলোর কোনটিতে অপরাধের বর্ণনা বা সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে আবার কোনটিতে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ বর্ণিত হয়েছে। ১৮৬০ সালে প্রথম ভারতীয় দন্ডবিধি প্রবর্তিত হয়। দন্ডবিধিকে একটি দেশের মৌলিক আইন বলা হয়ে থাকে।

ফৌজদারী কার্যবিধি

কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়। ফৌজদারী কার্যবিধিতে মোট ৫৬৫টি ধারা আছে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।

ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়। ফৌজদারী কার্যবিধির চতুর্থ ভাগ অপরাধের প্রতিরোধ বিষয়ে নিবেদিত।

দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি কোনটা কি?

যেমন: কেউ কোন হত্যাকান্ডে অংশ নিলে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। দন্ডবিধির ২৯৯ এবং ৩০০ ধারা থেকে জানা যায় কোনটি খুন বা হত্যাকান্ড এবং দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় শাস্তির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

কিন্তু কিভাবে এই মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে, কিভাবে তদন্তকার্য পরিচালনা করা হবে, কোন আদালতে মামলাটি দায়ের করতে হবে তথা বিষয়টি কোন আদালতের আওতাধীন, ইত্যাদি ফৌজদারী কার্যবিধি হতে জানা যায়।

দেওয়ানী কার্যবিধি

অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যক্রমে পুলিশের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। যেগুলো ফৌজদারী অপরাধ নয় সহজ ভাষায় সেগুলোই দেওয়ানী আদালতের আওতায় নেয়া হয়। বাড়ি-ঘর, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, আর্থিক দেনদেন সংক্রান্ত প্রসঙ্গ ইত্যাদি দেওয়ানী আদালাতের আওতাভুক্ত। দেওয়ানী আদালত কিভাবে তার বিচারকার্য পরিচালনা করবে দেওয়ানী কার্যবিধিতে তার উল্লেখ আছে। দেওয়ানী কার্যবিধিকে মোটাদাগে দুইভাগে ভাগ করা যায়: কার্যবিধি ও অর্ডার। প্রতিটি অর্ডারের আবার একাধিক রুল আছে।তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

ফৌজদারী আদালত ও অফিসের গঠন এবং ক্ষমতা সম্পর্কিত ধারা

0

ফৌজদারী আদালত ও অফিসের গঠন এবং ক্ষমতা সম্পর্কিত ধারা

ধারা ৬। ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ

সুপ্রীম কোর্ট এবং এই বিধি বহির্ভূত কিন্তু বর্তমানে বলবৎ অন্য আইন দ্বারা গঠিত আদালত ব্যতীত বাংলাদেশে পাঁচ শ্রেণীর ফৌজদারী আদালত থাকিবে। যথাঃ

(১) দায়রা আদালত।

(২) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

(৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

(৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

আঞ্চলিক বিভাগ

ধারা ৭। দায়রা বিভাগ  জেলা। বিভাগ  জেলা পরিবর্তনের ক্ষমতা। পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান বিভাগ  জেলা বজায় রাখিবার ব্যবস্থা:

(১) বাংলাদেশে কতিপয় দায়রা বিভাগ থাকিবে, এবং এই বিধির আওতায় প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হইবে অথবা প্রত্যেক দায়রা বিভাগে একাধিক জেলা থাকিবে।

(২) সরকার এইরূপ বিভাগ ও জেলার সীমারেখা অথবা সংখ্যা পরিবর্তন করিতে পারিবে।

(৩) এই বিধি বলবৎ হইবার সময় যেই সকল দায়রা বিভাগ ও জেলা বিদ্যমান ছিল, উক্তরূপে পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত তাহা বহাল থাকিবে।

(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা, এই বিধির আওতায়, দায়রা বিভাগ গণ্য হইবে।

ধারা  দায়রা আদালত :

(১) প্রত্যেক দায়রা বিভাগের জন্য সরকার একটি দায়রা আদালত স্থাপন করিবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করিবেন। মেট্রোপলিটান এলাকার জন্য দায়রা আদালতকে মেট্রোপলিটন দায়রা আদালত বলা হইবে।

(২) সরকারী গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারি করিয়া দায়রা আদালত কোন স্থানে বা কোন্ কোন্ স্থানে বসিবে সেই সম্পর্কে সরকার নির্দেশ দিতে পারেন; কিন্তু এইরূপ আদেশ না হওয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসিবে।

(৩) এইরূপ এক বা একাধিক আদালতে কার্য করিবার জন্য সরকার অতিরিক্ত দায়রা জজ ও সহকারী দায়রা জজ নিয়োগ করিতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যে জেলায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রট ২৯-গ ধারার অধীনে অপরাধ বিচারের জন্য বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত হন, সেই জেলা যে দায়রা বিভাগে অবস্থিত তাহার সকল সহকারী দায়রা জজ ঐ বিভাগে অতিরিক্ত দায়রা জজরূপে নিযুক্ত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) এক দায়রা বিভাগের দায়রা জজকে সরকার অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজও নিয়োগ করিতে পারেন এবং এইরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশ অনুসারে দুইটি বিভাগের যেকোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলার নিস্পত্তি করিতে পারেন।

(৫) এই বিধি কার্যকর হইবার সময় যেই সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল, তাহার সমস্তগুলিই এই বিধি অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে বলিয়া ধরিতে হইবে।

ধারা ১০। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট :

(১) মেট্রোপলিটান এলাকার বাহিরে প্রত্যেক জেলায় সরকার একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করিবেন এবং তিনি ‘জেলা ম্যাজিস্ট্রেট’ নামে অবহিত হইবেন।

(২) কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করিতে পারেন এবং এইরূপ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই বিধি বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোন অথবা সমস্ত ক্ষমতা লাভ করিবেন।

(৩) ১৯২ ধারার (১) উপধারা, ৪০৭ ধারার (২) উপধারা এবং ৫২৮ ধারার (২) ও (৩) উপধারার বিষয়ে এইরূপ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধঃস্তন বলিয়া বিবেচিত হইবেন।

ধারা ১১। জেলা ম্যাজিস্টেটের শূন্য পদে অস্থায়ীভাবে নিযুক্ত অফিসারঃ

জেলা ম্যাজিস্টেটের পদ শূন্য হইবার ফলে কোন অফিসার অস্থায়ীভাবে তাহার স্থলাভিষিক্ত হইলে সরকারের আদেশ সাপেক্ষে তিনি এই বিধি দ্বারা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সমস্ত ক্ষমতা প্রয়োগ ও সমস্ত কর্তব্য সম্পাদন করিবেন।

ধারা ১২। অধঃস্তন ম্যাজিস্ট্রেটগণ। তাঁহাদের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমাঃ

(১) মেট্রোপলিটান এলাকা ব্যতীত কোন জেলায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া যেই সংখ্যক ব্যক্তিকে সরকার প্রয়োজন মনে করেন, সেই সংখ্যক প্রথম, দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় শ্রণীর ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করিতে পারেন, এবং এই বিধি অনুসারে তাহাদিগকে যে ক্ষমতা দেওয়া হইবে সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে তাহা প্রয়োগের স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ করিতে পারেন।

(২) এই নির্ধারণের ব্যবস্থা সাপেক্ষে এই সকল ব্যক্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমস্ত জেলায় সম্প্রসারিত হইবে।

ধারা ১৩। ম্যাজিস্ট্রেটের উপর উপজেলার দায়িত্ব অর্পণের ক্ষমতা। জেলা ম্যাজিস্টেটের উপর ক্ষমতা অর্পণ:

(১) সরকার প্রথম অথবা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের উপর উপজেলার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারেন এবং প্রয়োজনবোধে এই দায়িত্ব হইতে তাহাকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

(২) এইরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণ “উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট” নামে অভিহিত হইবেন।

(৩) সরকার এই ধারায়  বর্ণিত তাহাদের নিজস্ব ক্ষমতা, জেলা ম্যাজিস্টেটের উপর অর্পণ করিতে পারেন।

ধারা ১৩ক। উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেটঃ

(১) সরকার যেকোন প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে উপজেলায় নিযুক্ত করিতে পারেন এবং এইরূপ ম্যাজিস্ট্রেটকে উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট বলা হইবে।

(২) উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কার্যবিধি অনুযায়ী উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।

ধারা ১৮। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগঃ

(১) মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একজন চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্য যেই কয়জন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ উপযুক্ত বিবেচনা করেন সেই কয়জন নিয়োগ করিবেন।

(২) সরকার একজন বা ততোধিক অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ করিতে পারিবেন এবং উক্ত অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটগণের এই কার্যবিধি অনুসারে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন অনুসারে সরকারের নির্দেশমত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের  সকল বা যেকোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।

(৩) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন বিশেষ মামলা বা বিশেষ শ্রেণীর মামলাসমূহ সম্পর্কে অথবা মেট্রোপলিটন এলাকার বা উহার কোন অংশের সাধারণ মামলাসমূহ সম্পর্কে মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটের সকল বা যেকোন ক্ষমতা যেকোন ব্যক্তিকে অর্পণ করিতে পারিবেন।

ধারা ২১। চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেটঃ

(১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে এই কার্যবিধি বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন অনুসারে তাঁহাকে বা কোন ম্যাট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন এবং বিভিন্ন সময়ে সরকারের পূর্ব-অনুদানক্রমে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রণের জন্য এই কার্যবিধির সহিত সঙ্গতিপূর্ণ বিধিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবেনঃ

(ক) মেট্রোপলটান ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কার্যবন্টন ও পরিচালনা এবং তাহাদের আদালতের কার্যপদ্ধতি;

(খ) মেট্রোপলটান ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ গঠন;

(গ) উপরোক্ত বেঞ্চসমূহের বৈঠকের সময় ও স্থান;

(ঘ)মেট্রোপলটান ম্যাজিস্ট্রেটগণের বৈঠক চলাকালে তাহাদের মধ্যে মতের পার্থক্য সৃষ্টি হইলে তাহা নিষ্পত্তির পদ্ধতি; এবং

(ঙ) এমন অন্য কোন বিষয় যে সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার অধঃস্তন ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর সাধারণ ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিতেন।

(২) এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট ও অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে থাকিবেন, তিনি বিভিন্ন সময়ে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কার্যবন্টন সম্পর্কে এই কার্যবিধির সহিত সঙ্গতিপূর্ণ বিধিমালা প্রণয়ন অথবা বিশেষ আদেশ দান করিতে পারিবেন।   তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

প্রতারণা সম্পর্কিত ধারা

0

প্রতারণা সম্পর্কিত ধারা

ধারা ৪১৫ প্রতারণা

যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তিকে ফাঁকি দিয়া প্রতারণামূলকভাবে বা অসাধুভাবে উক্ত ফাঁকি প্রদত্ত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির নিকট কোন সম্পত্তি সমর্পন করিতে বা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি সংরক্ষণের ব্যাপারে সম্মতি দান করিতে প্ররোচিত করে, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে অনুরূপ ফাঁকি প্রদত্ত ব্যক্তিকে এইরূপ কোন কার্য করিতে বা উহা করা হইতে বিরত থাকিতে প্রবৃত্ত করে যে, সে কাজ অনুরূপভাবে ফাঁকি প্রদত্ত না হইলে করিত না বা উহা করা হইতে বিরত থাকিত না এবং যে কার্য বা বিরতি উত্ত ব্যক্তির দেহ, মন সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করে বা করিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, সেই ব্যক্তি ‘প্রতারণা’ করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৪২০ প্রতারণা  সম্পত্তি সমর্পন করিবার জন্য অসাধুভাবে প্রবৃত্তি করা

যে ব্যক্তি প্রতারণা করে এবং তদ্দ্বারা অনুরূপ ফাঁকি প্রদত্ত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির নিকট কোন সম্পত্তি সমর্পন করিতে, অথবা কোন মূল্যবান জামানত কিংবা মূল্যবান জামানত রূপান্তরিত হইবার যোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত বস্তু প্রস্তুত, পরিবর্তন, অথবা সম্পূর্ণরূপে বা অংশগত বিনষ্ট করিবার জন্য অসাধুভাবে প্রবৃত্ত করে সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হইতে পারে- দন্ডিত হইবে এবং তদপরি অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে।  তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

 

দস্যুতা ও ডাকাতি সম্পর্কিত ধারা

0
জিডি করবেন যে ভাবে
জিডি করবেন যে ভাবে

দস্যুতা ও ডাকাতি সম্পর্কিত ধারা

ধারা ৩৮৩ বলপূর্বক গ্রহণ

যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তিকে, উক্ত ব্যক্তি বা অন্য কাহারও প্রতি ক্ষতির ভয় দেখায় এবং তদ্বারা উক্ত ভয় প্রদর্শিত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির নিকট কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত, কিংবা স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত কোন কিছু-যাহা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হইতে পারে- হস্তান্তর করিতে প্রবৃত্ত করে, সেই ব্যক্তি ‘বলপূর্বক গ্রহণ’ করে।

ধারা ৩৯০ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলিয়া গণ্য হয়

সকল দস্যুতায় হয় চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ রহিয়াছে। যদি চুরি করিবার উদ্দেশ্যে বা চুরি করিতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগকালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাহাকে আঘাতদান করে তাহাকে অবৈধভাবেএ আটক করে বা করিবার উদ্যোগ করে, কিংবা তাহাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করিবার উদ্যোগ করে, তাহা হইলে উক্ত চুরি হইতেছে ‘দস্যুতা’।

ধারা ৩৯১ ডাকাতি

যেক্ষেত্রে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে কোন দস্যুতা অনুষ্ঠান করে বা করিবার উদ্যোগ করে কিংবা যেক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতাকারী বা অনুষ্ঠান করিবার উদ্যোগকারী ব্যক্তিগণের এবং উপস্থিত ও অনুরূপ দস্যুতা অনুষ্ঠানে বা উহার উদ্যোগে সাহায্যকারী ব্যক্তিগণের মোট সংখ্যা ৫ (পাঁচ) বা ততোধিক হয়, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ অনুষ্ঠানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ‘ডাকাতি’ করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৩৯২ দস্যুতার শাস্তি

যে ব্যক্তি দস্যুতা করে, সেই ব্যক্তি সশ্রম কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ দশ বছর হইতে পারে দন্ডিত হইবে, তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে এবং যদি রাজপথে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে উক্ত কারাদন্ড চৌদ্দ বছর পর্যন্ত সম্প্রসারিত হইতে পারিবে।

ধারা ৩৯৪ দস্যুতা অনুষ্ঠানকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান

যদি কোন ব্যক্তি দস্যুতা অনুষ্ঠানকালে বা অনুষ্ঠানের উদ্যোগকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করে, তাহা হইলে অনুরূপ ব্যক্তি এবং অনুরূপ দস্যুতা অনুষ্ঠান বা উহা উদ্যোগের সহিত মিলিতভাবে জড়িত অন্য যেকোন ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা সশ্রম কারাদন্ডে জড়িত অন্য যেকোন ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা সশ্রম কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হইতে পারে-দন্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে।

ধারা ৩৯৫ ডাকাতির শাস্তি

যে ব্যক্তি ডাকাতি করে, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা সশ্রম কারাদন্ডে যাহার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হইতে পারে-দন্ডিত হইবে, এবং তদুপরি অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবে।

ধারা ৩৯৬ খুন সহকারে ডাকাতি

পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যাহারা মিলিতভাবে ডাকাতি করিতেছে, তাহাদের যেকোন একজন অনুরূপভাবে ডাকাতি করা কালে খুন করিলে উক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যেকের মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা সশ্রম কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হইতে পারে- দন্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে।

ধারা ৪১০ চোরাই মাল

যে সম্পত্তি দখল চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হইয়াছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে  আত্মসাৎ করা হইয়াছে, অথবা সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা হইয়াছে, উক্ত হস্তান্তর, আত্মসাৎকরণ, বা বিশ্বাসভঙ্গকরণ বাংলাদেশের ভিতরে বা বাহিরে যেখানেই অনুষ্ঠিত হউক না কেন ‘চোরাই মাল’ বলিয়া অভিহিত হইবে। কিন্তু যদি অনুরূপ মাল উত্তরকালে এমন কোন ব্যক্তির দখলে আসে সে আইনত উহা দখল করিবার অধিকারী তাহা হইলে উহা আর চোরাই মাল বলে গণ্য হইবে না।

ধারা ৪১১ অসাধুভাবে চোরাই মাল গ্রহণ করা

যে ব্যক্তি কোন মাল চোরাই বলিয়া বা উহা চোরাই মাল বলিয়া বিশ্বাস করিবার কারণ থাকা সত্ত্বেও উক্ত চোরাই মাল অসাধুভাবে গ্রহণ বা রক্ষণ করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে। তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

দন্ডসম্পর্কিত ধারাগুলো

0

দন্ডসম্পর্কিত ধারাগুলো

ধারা-৫৩  দন্ডসমূহ

এই বিধির বিধানসমূহ অনুযায়ী অপরাধকারীগন যে যে দণ্ডে দণ্ডার্হ হইবে তাহা হইতেছেঃ

প্রথমত মৃত্যু:

দ্বিতীয়ত যাবজ্জীবন কারাবাস:

তৃতীয়ত (বাতিল):

চতুর্থত কারাবাস; উহা দুই প্রকারের যথা:

(১) সশ্রম, অর্থাঃ কঠোর শ্রম সহকারে; ২) বিনাশ্রম;

পঞ্চমত সম্পত্তি বাজেয়াফত;

ষষ্ঠত অর্থদণ্ড।

ধারা ৫৩-ক। কারাবাস উল্লেখের ব্যাখ্যা:

(১) (২) উপধারার শর্তাবলী সাপেক্ষে, সাময়িকভাবে প্রচলিত অন্য যেকোন আইনে যেখানে যাবজ্জীবন ‘দ্বীপান্তর’ এর উল্লেখ আছে, সেখানে উহা ‘যাবজ্জীবন কারাবাস’ ধরিতে হইবে।

(২) বর্তমানে প্রচলিত যেকোন আইনে কোন মেয়াদের বা স্বল্প মেয়াদের জন্য যেকোনাভাবে হউক না কেন, দীপান্তরের উল্লেখ থাকিলে উহা রদ গণ্য হইবে।

(৩) বর্তমানে প্রচলিত অন্য যেকোন আইনে, যেখানে দীপান্তর উল্লেখ আছে:

(ক) সেখানে উহা যদি যাবজ্জীবন দীপান্তর বুঝায়, তাহা হইলে উহাকে যাবজ্জীবন কারাবাস ধরিতে হইবে;

(খ) সেখানে উহা যদি স্বল্পতর মেয়াদের দীপান্তর বুঝায়, তাহা হইলে ইহা রদ গণ্য হইবে।

ধারা ৫৪  মৃত্যুদন্ড হ্রাসকরণ

মৃত্যুদণ্ড দান করা যাইতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে এই বিধিবলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্পদণ্ডে রূপান্তরিত করিতে পারিবেন।

ধারা ৫৫  যাবজ্জীবন কারাবাস দণ্ড হ্রাসকরণ:

যাবজ্জীবন কারাবাস দণ্ড দান করা যাইতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে যেকোন বর্ণনার অনূর্ধ্বে ২০ বৎসর মেয়াদী কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবেন। তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

জালিয়াতি সম্পর্কিত ধারা

0

জালিয়াতি সম্পর্কিত ধারা

ধারা ৪৬৩। জালিয়াতি

যে ব্যক্তি জনগন বা কোন ব্যক্তি বিশেষের ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করিবার বা কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন করিবার অথবা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে বা স্পষ্ট বা পরোক্ষ চুক্তি সম্পাদন করিতে বাধ্য করিবার অভিপ্রায়ে কিংবা প্রতারণা করিবার অথবা প্রতারণা করা যাইতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে কোন মিথ্যা দলিল বা কোন মিথ্যা দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত করে, সেই ব্যক্তি জালিয়াতি করে মিথ্যা বলিয়া গন্য হইবে।

ব্যক্তি ৪৬৩ মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণঃ যে ব্যক্তি

প্রথমত, কোন দলিল বা কোন দলিলের অংশ বিশেষ এমন কোন ব্যক্তি কর্তৃক তাহার কর্তৃত্ববলে প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহলকৃত বা সম্পাদিত বলিয়া বিশ্বাস জন্মাইবার অভিপ্রায়ে, যে ব্যক্তি কর্তৃক বা যে ব্যক্তির কর্তৃত্ববলে উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জানে, অথবা এমন কোন সময়ে, যে সময় উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জানে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে অনুরূপ দলীদ বা অনুরূপ কোন দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত, স্বাক্ষর, সীলমোহর বা সম্পাদন করে বা কোন দলিল সম্পাদনা জ্ঞাপন কোন চিহ্ন অঙ্কন করে;

অথবা

দ্বিতীয়ত, কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হইবার পর আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে, কর্তন করিয়া বা প্রকারান্তরে উহার কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে-অনুরূপ পরিবর্তন সাধনকালে অনুরূপ ব্যক্তি জীবিত বা মৃত যাহাই হউক,

অথবা

তৃতীয়তঅসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ জানিয়া কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল স্বাক্ষর, সীলমোহর, সম্পাদন বা পরিবর্তন করিতে বাধ্য করে, যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা বা প্রমত্ততার কারণে কিংবা তাহার প্রতি প্রযুক্ত প্রতারণার দরুন উক্ত দলিলের বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি জানিতে পারে না বা জানে না সেই ব্যক্তি মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৪৬৫ জালিয়াতির শাস্তিঃ

যে ব্যক্তি জালিয়াতি করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে-যাহার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে। তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

চুরি-ডাকাতি সম্পর্কিত ধারা

0
ফৌজদারী কার্যবিধি ৫৪ ধারা

চুরি-ডাকাতি সম্পর্কিত ধারা

ধারা ৩৭৮ চুরি

যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির দখল হইতে কোন অস্থাবর সম্পত্তির উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকে অসাধুভাবে গ্রহণ করিবার অভিপ্রায়ে অনুরূপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৩৭৯ চুরির শাস্তি

যে ব্যক্তি চুরি করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।

ধারা ৩৭০ বাসগৃহ ইত্যাদিতে চুরি

যে ব্যক্তি, মনুষ্য বসবাস বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এইরূপ অট্টালিকা, তাঁবু বা জাহাজে চুরি অনুষ্ঠান করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হইতে পারে- দন্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে।  তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

গ্রেফতার ও তল্লাশী সম্পর্কিত ধারাগুলো

0

গ্রেফতার ও তল্লাশী সম্পর্কিত ধারাগুলো

ধারা ৪৬ গ্রেফতারের পদ্ধতি এবং গ্রেফতারে বাধা প্রদান   

ক) কথা অথবা কার্য দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পন করা না হইলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অপর কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করিবার সময় যাহাকে গ্রেফতার করা হইতেছে প্রকৃতপক্ষে তাহার দেহ স্পর্শ বা আটক করিবেন।

খ) এইরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাহাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধা দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে, তাহা হইলে উক্ত পুলিশ অফিসার অথবা অপর ব্যক্তি গ্রেফতার কার্যকরী করিবার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কৌশল ব্যবহার করিতে পারিবেন।

গ) এই ধারায় এইরূপ কোন অধিকার দেওয়া হয় নাই, যাহাতে মৃত্যুদন্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদন্ডের শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে, এইরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইতে পারেন।

ধারা ৪৭ যাহাকে গ্রেফতার করা হইবেতিনি যেই স্থানে প্রবেশ করিয়াছেনসেই স্থান তল্লাশি–   

গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যেই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরুপে কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিম অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।

ধারা ৪৮ যেইস্থানে প্রবেশ করা যাইতেছে নাসেইখানে প্রবেশের পদ্ধতিদরজা ভাঙ্গিয়া জানানা মহলে প্রবেশ–   

৪৭ ধারা অনুসারে এইরূপ স্থানে প্রবেশ করা না গেলে, অধিকার ও উদ্দেশ্য জ্ঞাপন এবং যথাযথভাবে প্রবেশের দাবি জানানোর পর যদি অন্যভাবে প্রবেশ করা না যায়, তাহা হইলে পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি এবং যেইক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি হইতে পারে কিন্তু যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে তাহাকে পলায়নের সুযোগ না দিয়া পরোয়ানা সংগ্রহ করা যায় নাম, সেইক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারে পক্ষে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করা এবং প্রবেশের জন্য কোন গৃহ অথবা স্থানের, এইরূপ গৃত অথবা স্থান, যাহাকে গ্রেফতার করা হইতেছে তাহারই হউক বা অপর কোন লোকের হউক, বাহিরে অথবা ভিতরের দরজা ভাঙ্গিয়া ফেলা আইনসঙ্গত হইবে।

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ স্থান যদি কোন স্ত্রীলোকের (যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি নহেন) প্রকৃত অবস্থানের অন্তুর্ভুক্ত কোন কামরা হয় এবং যিনি সামাজিক রীতিনীতি অনুসারে জনসাধারণের সম্মুখেই আসেন না, তাহা হইলে উক্তরূপ কার্যরত ব্যক্তি অথবা পুলিশ অফিসার উক্ত কামরায় প্রবেশের পূর্বে উক্ত স্ত্রীলোককে জানাইবেন যে, তিনি অবাধে সরিয়া যাইতে পারেন এবং অতঃপর তিনি কামরা ভাঙ্গিয়া তাহাতে প্রবেশ করিতে পারেন।

ধারা ৪৯ মুক্তিলাভের জন্য দরজা  জানালা ভাঙ্গিবার ক্ষমতা   

গ্রেফতারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অথবা পুলিশ অফিসার গ্রেফতারের জন্য কোন গৃহ অথবা স্থানে আইনসঙ্গভাবে প্রবেশ করিবার পর তথায় আটকা পড়িলে উক্ত গৃহে অথবা স্থানের কোন বাইরের অথবা ভিতরের দরজা অথবা জানালা ভাঙ্গিয়া বাইির হইতে পারেন।

ধারা ৫০ প্রয়োজনে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ নিষেধ   

পলায়ন প্রতিরোধের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির উপর অবশ্যই তাহা অপেক্ষা অধিক বলপ্রয়োগ করা যাইবে না।

ধারা ৫১ আটক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি   

যখন পুলিশ অফিসার কোন ব্যক্তিকে এমন পরোয়ানা অনুসারে গ্রেফতার করেন, যাহাতে জামিনের ব্যবস্থা নাই অথবা জামিনের ব্যবস্থা থাকিলেও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন সংগ্রহ করিতে পারেন না। যখন কোন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা হয় অথবা কোন সাধারণ নাগরিক যখন পরোয়ানা অনুসারে গ্রেফতার করেন এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিন দেওয়া যায় না, অথবা সে জামিন সংগ্রহ করিতে অসমর্থ হয়-

তখন গ্রেফতাকারী অফিসার অথবা কোন সাধারণ নাগরিক গ্রেফতার করিলে তিনি গ্রেফতারকৃত  ব্যক্তিকে যাহার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার তাহার দেহ তল্লাশি করিতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তাহার নিকট যাহা পাওয়া যাইবে, তাহান নিরাপদে হেফাজতে রাখিতে পারেন।

ধারা ৫৪ যখন পুলিশ পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করিতে পারেন   

ক) যেকোন পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অথবা পরোয়ানা ব্যতীত নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণকে গ্রেফতার করিতে

পারেন-

প্রথমত      কোন আমলযোগ্য অপারাধের সহিত জড়িত কোন ব্যক্তি অথবা এইরূপে জড়িত বলিয়া যাহার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হইয়াছে অথবা বিশ্বাসযোগ্য খবর পাওয়া গিয়াছে অথবা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ রহিয়াছে।

দ্বিতীয়ত আইনসঙ্গত অজুহাত ব্যতীত যাহার নিকট ঘর ভাঙ্গিবার কোন সরঞ্জাম রহিয়াছে সেইরূপ ব্যক্তি (এই আইনসঙ্গত অজুহাত প্রমাণ করিবার দায়িত্ব তাহার)

তৃতীয়ত এই কার্যবিধি অনুসারে অথবা সরকারের আদেশ দ্বারা যাহাকে অপরাধী বলিয়া ঘোষনা করা হইয়াছে।

চতুর্থত চোরাই বলিয়া যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ করা যাইতে পারে- এইরূপ মাল যাহার নিকট রহিয়াছে এবং যে এইরূপ মাল সম্পর্কে কোন অপরাধ করিয়াছে বলিয়া যুক্তিসঙ্গভাবে সন্দেহ করা যাইতে পারে।

পঞ্চমত পুলিশ অফিসারকে তাহার কার্যে বাধা দানকারী ব্যক্তি অথবা যেই ব্যক্তি আইনসঙ্গত হেফাজত হইতে পলায়ন করিয়াছে, অথবা পলায়নের চেষ্টা করে।

ষষ্ঠত– বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা বাহিনী হইতে পলায়নকারী বলিয়া তাহাকে যুক্তিসঙ্গভাবে সন্দে করা যাইতে পারে।

সপ্তমত বাংলাদেশে করা হইলে অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য হইত। বাংলাদেশের বাইরেকৃত এইরূপ কোন কার্যের সহিত জড়িত ব্যক্তি অথবা এইরূপ জড়ি বলিয়া যাহার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হইয়াছে অথবা বিশ্বাসযোগ্য খবর পাওয়া গিয়াছে অথবা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ রহিয়াছে এবং যাহার জন্য সে প্রত্যর্পন- সম্পর্কিত কোন

আইন অথবা ১৮৮১ সালের পলাতক অপরাধিী আইন অনুসারে অথবা অন্য কোনভাবে বাংলাদেশে গ্রেফতার হইতে অথবা হেফাজতে আটক রাখিতে বাধ্য।

অষ্টমত– কোন মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী যে ৫৬৫ ধারায় (৩) উপধারা অনুসারে নিয়ম লংঘন করে।

নবমত- যাহাকে গ্রেফতারের জন্য অপর কোন পুলিশ অফিসারের নিকট হইতে অনুরোধপত্র পাওয়া গিয়াছে যদি যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে তাহার এবং যেই অপরাধ অথবা অন্য যেই কারণে গ্রেফতার করা হইবে সেই সম্পর্কে উক্ত পত্রে সুস্টষ্ট তথ্য থাকে এবং তাহা হইতে প্রতিয়মান হয় যে, যিনি অনুরোধ প্রেরণ করিয়াছেন। সেই অফিসার উক্ত ব্যক্তিকে আইনসঙ্গভাবে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করিতে পারেন।

ধারা ৯৬ কখন তল্লাশি পরোয়ানা দেওয়া যাইতে পারে   

ক) যখন কোন আদালতের এইরূপ বিশ্বাস করিবার করাণে ঘটে যে, যেই ব্যক্তির উপর ১৪ ধারা অনুসারে কোন সমন বা আদেশ অথবা ৯৫ ধারায় (১) উপধারা অনুসারে কোন  রিকুইজিশন প্রেরণ করা হইয়াছে বা হইতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিজুইজিশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করিবেন না অথবা

যখন এইরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে  বলিয়া আদালতের জানা নাই অথবা

যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বার এই কার্ডবিধি অনুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে সাধিত হইবে।

তখন আদালত তল্লাশি পরোয়ানা প্রদান করিতে পারেন এবং যে ব্যক্তির প্রতি এই পরোয়ানা নির্দেশিত হইবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিবর্ধন করিতে পারিবেন।

খ) এই আইনে বর্ণিত কোন বিধান জেলা ম্যাজিস্ট্যাটের বা চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রক্ষিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু তল্লাশির জন্য পরোয়ানা মঞ্জুর করিবার কর্তৃত্ব দিবে না।

ধারা ১০০ বেআইনীভাবে আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশি   

যখন কোন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ ঘটে যে, কোন ব্যক্তিকে এমন পরিস্থিতিতে আটক রাখা হইয়াছে যাহাতে আটক রাখা অপরাধে পরিণত হয়। তখন তিনি তল্লাশি পরোয়ানা প্রদান করিতে পারেন এবং যাহার প্রতি পরোয়ানা নির্দেশিত হইবে, তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে যদি পাওয়া যায়, তাহা হইলে অবিলম্বে তাহাকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করিতে হইবে, এবং তিনি ঘটনার পরিস্থিতি অনুসারে উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

ধারা ১০১ তল্লাশি পরোয়ানার নির্দেশ প্রভৃতি   

৪৩, ৭৫, ৭৭, ৭৯, ৮২, ৮৩  ও ৮৪ ধারার বিধানসমূহ যথাসম্ভব ৯৬, ৯৮, ৯৯-ক ও ১০০ ধারা অনুসারে প্রদত্ত তল্লাশি পরোয়ানার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

ধারা ১০২ আবদ্ধ স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি তল্লাশি করিতে দিবেন   

ক) এই অধ্যায় অনুসারে তল্লাশি বা পরির্দশনযোগ্য কোন স্থান যদি বন্ধ থাকে তাহা হইলে তথায় বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, পরোয়ানা কার্যকারী অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি দাবি করিলে ও পরোয়ানা দেখাইলে তাহাকে অবাধে তথায় প্রবেশ করিতে দিবেন ও তল্লাশির সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুবিধা দিবেন।

খ) যদি উক্ত স্থানে প্রবেশ করা না যায়, তাহা হইলে উক্ত অফিসার বা পরোয়ানা প্রয়োগকারী অন্য কোন ব্যক্তি ৪৮ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে অগ্রসর হইতে পারেন।

গ) যে বস্তু সম্পর্কে তল্লাশি হওয়া উচিত, উক্ত স্থানে বা স্থানের নিকট কোন ব্যক্তি উক্ত বস্তু তাহার দেহে লুকাইয়া রাখিতেছে বলিয়া যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ করা যায়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির দেহ তল্লামি করা যাইতে পারে। উক্ত ব্যক্তি স্ত্রীলোক হইলে ৫২ ধারার নির্দেশাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।

ধারা ১০৩ সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশি চালাইতে হইবে   

ক) এই অধ্যায় অনুসারে তল্লাশি করিবার পূর্বে তল্লাশি করিতে উদ্যত অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি, যেইস্থানে তল্লামি করা হইবে সেই এলাকার দুইজন বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশিতে হাজির থাকিতে ও উহার সাক্ষী হইতে আহ্বান জানাইবেন এবং এইরূপ করিবার জন্য তাহাদিগকে বা তাহাদের যেকোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারিবেন।

খ) তাহাদের উপস্থিতিতে তল্লাশি করিতে হইবে এবং উক্ত অফিসার বা অন্য ব্যক্তি তল্লাশির সময় আটক সমস্ত জিনিস ও যে যে স্থানে সেইগুলি পাওয়া গিয়াছে উহার একটি তালিকা প্রস্তুত করিবেন এবং উক্ত সাক্ষীগণ তালিকায় দস্তখত করিবেন। তবে আদালত যদি বিশেষভাবে সমন দিয় তলব না করেন, তাহা হইলে এই ধারা অনুসারে পরিচালিত তল্লাশির কোন সাক্ষীকে উক্ত তল্লাশির সাক্ষী হিসাবে আদালতে হাজির হইতে নির্দেশ দেওয়া যাইবে না।

যেই স্থানে তল্লাশি করা হয় তথায় উহার বাসিন্দা উপস্থিত থাকিতে পারেন-

গ) তল্লাশিকৃত স্থানের দখলকারী ব্যক্তি অথবা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে তল্লাশি সময় হাজির থাকিবার অনুমতি দিতে হইবে এবং উক্ত দখলকারী ব্যক্তি বা তাহার প্রতিনিধি অনুরোধ করিলে তাহাকে এই ধারা অনুসারে প্রণীত ও উপরোক্ত সাক্ষীগণের স্বাক্ষরিত তালিকার একটি নকল দিতে হইবে।

ঘ) যখন ১০২ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে কোন ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করা হইবে, তখন যেই সকল জিনিসের দখল গ্রহণ করা হইল উহার একটি তালিকা প্রস্তুত করিতে হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি অনুরোধ করিলে তাহাকে উহার একটি নকল দিতে হইবে।

ঙ) লিখিত আদেশ দ্বারা আহ্বান জানানো সত্ত্বেও যে ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত এই ধারা অনুসারে পরিচালিত কোন তল্লাশিতে হাজির হইতে ও সাক্ষী হইতে অস্বীকার বা অবহেলা করেন, তিনি দন্ডবিধির ১৮৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে। তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

খুন সম্পর্কিত ধারা

0

খুন সম্পর্কিত ধারা

ধারা ২৯৯ দন্ডার্হ নরহত্যা

যে ব্যক্তি কোন কার্যের সাহায্যে মৃত্যু ঘাটাইবার অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু ঘটাইবার সম্ভবনা রহিয়াছে এইরূপ দৈহিক জখম ঘটাইবার অভিপ্রায়ে অথবা উক্ত কার্যের সাহায্যে সে মৃত্যু ঘটাইতে পারে এমন সম্ভাবনা রহিয়াছে বলিয়া জানিয়া অনুরূপ কার্যের সাহায্যে মৃত্যু ঘটায়, সেই ব্যক্তি দন্ডার্হ নরহত্যার অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৩০০ খুন

প্রথমত- অতঃপর ব্যতিক্রান্ত ক্ষেত্রসমূহ ব্যতীত দন্ডার্হ নরহত্যা খুন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি যে কার্যের ফলে মৃত্যু সংঘটিত হয় সেই কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের অভিপ্রায়ে সম্পাদিত হয়, অথবা

দ্বিতীয়ত- যদি ইহা এইরূপ দৈহক জখম করিবার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত হয়, যাহা যে ব্যক্তির ক্ষতি সাধন করা হয় তাহার মৃত্যু ঘটাইতে পারে বলিয়া অপারাধকারীর জানা থাকে, অথবা

তৃতীয়ত- যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক জখম করিবার অভিপ্রায়ে ইহা সম্পাদিত হয় এবং অভিষ্ট দৈহিক জখমটি প্রাকৃতিক স্বাভাবিক অবস্থায় অনুরূপ মৃত্যু ঘটাইবার জন্য যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত- যদি উক্ত কার্য সম্পাদকারী ব্যক্তি অবগত থাকে যে, ইহা এত আসন্ন বিপজ্জনক যে, ইহা খুব সম্ভবত মৃত্যু ঘটাইবে অথবা এরূপ দৈহিক জখম ঘটাইতে পারে এবং মৃত্যু সংগঠনের বা পূর্বোক্ত জখম ঘটাইবার ঝুকি লওয়ার অজুহাত ব্যতিরেকেই অনুরূপ কার্য সম্পাদন করে।

ধারা ৩০২ খুনের শাস্তি

যে ব্যক্তি খুন করে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবে।

ধারা ৩০৪ খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ দন্ডার্হ নরহত্যার শাস্তি

যে ব্যক্তি খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরুপ দন্ডার্হ নরহত্যা অনুষ্ঠান করে, সেই ব্যক্তি যে কার্যের সাহায্যে মৃত্যু সংগঠিত হয় তাহা মৃত্যু ঘটাইবার অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু ঘটাইবার সম্ভাবন রহিয়াছে এমন গুরুতর আঘাত প্রদানের অভিপ্রায়ে সম্পাদিত হইলে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হইতে পারে- দন্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডিত হইতে পারে।

ধারা ৩০৪ (বেপরোয়া যান বা অশ্বচালনার দ্বারা মৃত্যু ঘটান

যে ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা তাচ্ছিল্যের সহিত জনপথে যান বা অশ্ব চালাইয়া দন্ডার্হ নরহত্যা নহে এমন মৃত্যু ঘটায়, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে যাহার মেয়াদ তিন বছরের পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবে।

ধারা ৩০৭ খুনের উদ্যোগ

যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে বা অবগতি সহকারে এবং এইরূপ অবস্থায় কোন কার্য সম্পাদন করে যে, যদি উক্ত কার্যের সে মৃত্যু ঘটাইত, তাহা হইলে সে খুনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইত, সেই ব্যক্তি যে কোন বর্ণনার কারাদন্ডে যাহার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত হইতে পারে-দন্ডিত ইইবে এবং তদুপরি অর্ধদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে। আর উক্ত কার্যের সাহায্যে কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তাহা হইলে অপরাধকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা ইতঃপূর্বে উল্লেখিত দন্ডে দন্ডনীয় হইবে। যাবজ্জীবন দন্ডে দন্ডিত ব্যক্তিগণ কর্তৃক উদ্যোগ এই ধারার অধীনে অপরাধকারী ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডাজ্ঞাধীন থাকার ক্ষেত্রে আঘাত করা হইলে, তাহার মৃত্যুদন্ড বিধান করা হইবে।

ধারা ৩০৮ দন্ডার্হ নরহত্যা অনুষ্ঠানের উদ্যোগ

যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে বা অবগতি সহকারে এবং এইরূপ কোন কার্য করে যে ব্যক্তি উক্ত কার্যের সাহায্যে মৃত্যু ঘটাইত তাহা হইলে সে খুন বলি গণ্য নহে এইরূপ দন্ডার্হ নরহত্যার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইত, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে; আর যদি উক্ত কার্যের সাহায্যে কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তাহা হইলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে।

ধারা ৩০৯ আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগ

যে ব্যক্তি আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, সেই ব্যক্তি বিনাশ্রম কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ এক বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে। তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

আঘাত ও মারামারি সম্পর্কিত ধারা

0
জিডি করবেন যে ভাবে
জিডি করবেন যে ভাবে

আঘাত ও মারামারি সম্পর্কিত ধারা

ধারা ৩২৩ স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানে শাস্তি

যে ব্যক্তি, ৩৩৪ ধারায় ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিরেকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দান করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারদন্ডে যাহার মেয়াদ এক বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে যাহার পরিমাণ এক হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে।

ধারা ৩২৪ স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্র বা অন্য মাধ্যমের সাহায্যে আঘাত দান করা

যে ব্যক্তি, ৩৩৪ ধারায় ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিরেকে, গুলী ছুঁড়িবার, ছুরিকাঘাত করিবার বা কর্তন করিবার যেকোন যন্ত্র, অথবা অন্য যেকোন যন্ত্র, যাহার ব্যবহারে মৃত্যু ঘটাইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, অথবা অগ্নি বা উত্তপ্ত বস্তু কিংবা যেকোন বিষ দ্রব্য যাহা নিংশ্বাসের সহিত গ্রহণ করা, গলাধঃকরণ করা বা রক্তে গ্রহণ করা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকর, অথবা যেকোন প্রাণীর সাহায্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হইতে পারে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে।

ধারা ৩২৫ স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত প্রদানের শাস্তি

যে ব্যক্তি, ৩৩৪ ধারায় ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিরেকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত প্রদান করে, সেই ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হইতে পারে- দন্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবে।

ধারা ৩২৬ স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্র বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করা

যে ব্যক্তি, ৩৩৫ ধারায় ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিরেকে গুলী ছুড়িবার, ছুরিকাঘাত করিবার বা কর্তন করিবার যে কোন যন্ত্র, অথবা অন্য যেকোন যন্ত্র, অথবা অন্য যেকোন যন্ত্র ব্যবহারে মৃত্যু ঘটাইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, অথবা অগ্নি বা কোন উত্তপ্ত বস্তু কিংবা যেকোন বিষ, অথবা কোন ক্ষয়কারক পদার্থ, অথবা কোন বিষ্ফোরক দ্রব্য কিংবা এইরূপ কোন দ্রব্য যাহা নিংশ্বাসের সহিত গ্রহণ করা, গলাধঃকরণ করা বা রক্তে গ্রহণ করা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকারক, অথবা যেকোন প্রাণীর স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত প্রদান করে, সেই ব্যক্তি কারাদন্ডে অথবা যেকোন বর্ণনার কারাদন্ডে- যাহার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হইতে পারে, দন্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডে ও দন্ডনীয় হইবে।

ধারা ৩২৬ (স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুটি চোখ উপড়াইয়া বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুটির দৃষ্টির নষ্টকরণ বা মুখমন্ডল বামস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ

যে ব্যক্তি, ৩৩৫ ধারায় বিধানকৃত ক্ষেত্র ব্যতিরেকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিতভাবে-

ক) ৩২০ ধারায় দ্বিতীয়তভাবে বর্ণিত অপরাধ যখন উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা বা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা অথবা

খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠতভাবে বর্ণিত অপরাধ যখন কোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা,

কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তাহাকে মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডের এবং জরিমানার শাস্তি প্রদান করা হইবে।  তথ্যসূত্রঃঅনলাইনঢাকা

চাকরি বাজার এবং বাস্তবতাঃ সাম্প্রতিক অবস্থা

0

চাকরি বাজার এবং বাস্তবতাঃ সাম্প্রতিক অবস্থা

চাকরি বাজার এর প্রকৃতি খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। নতুন নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।

সেবা খাতের চাকরির বাজার খুব দ্রুত বাড়ছে (যেমন: টেলিকমিউনিকেশন, ব্যাংকিং, স্বাস্থ্য প্রভৃতি) । সেই সাথে বেতনও খুব দ্রুত বাড়ছে।

প্রযুক্তি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে কর্মস্থলের অবস্থানগত (local presence) গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে।

স্থায়ী চাকরির (Permanent Job) সংখ্যা কমে যাচ্ছে . চাকরিদাতা এবং চাকরিপ্রার্থী উভয়ের সামনেই এখন অনেক পথ খোলা।

বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ক্ষুদ্র ও মাঝারী প্রতিষ্ঠানে (SME) চাকরির সুযোগ বেশী সৃষ্টি হয়েছে।

চাকরিজীবিরা এখন এক খাত (Industry / Sector) থেকে অন্য খাতে চাকরির পরিবর্তন করছে।

চাকরি দাতারা এখন চাকরিপ্রার্থী কতটুকু মূল্যের (Value) সেবা প্রদানে সক্ষম তার উপর ভিত্তি করে তার বেতন নির্ধারন করছে।

বর্তমানে চাকরির বাজারে ডিগ্রির চেয়ে দক্ষতাকে বেশী প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে

ক্রেতা সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে, কারণ ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার ফলে ক্রেতাদের সামনে এখন বাছাই করার অনেক সুযোগ রয়েছে।

নতুন নতুন যে দক্ষতাগুলো প্রয়োজন:

যোগাযোগের দক্ষতা ( Communication Skill )

ভাষাগত দক্ষতা ( Language Skill)

তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা ( IT / Computer Skill)

পারষ্পরিক সম্পর্ক রক্ষার দক্ষতা (Interpersonal Skill)

চাকরিক্ষেত্রে পুরষ্কৃত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলী ও দক্ষতা:

পেশাদারিত্ব (Professionalism)

নতুন নতুন ব্যবসায়ের ক্ষেত্র উদ্ভাবন ( New Business Development & Innovation Skills )

উত্সাহ প্রদান দক্ষতা ( Motivation Skills )

নিজের কাজের উপর সুষ্পষ্ট জ্ঞান (In-depth knowledge on own workarea )

নিজের কাজের দক্ষতা উন্নয়নের আগ্রহ ( Eagerness for self development )

বাস্তবতা

দেশে হাজার হাজার মানুষ বেকার থাকা সত্বেও চাকরিদাতারা দক্ষ কর্মী পাচ্ছেন না।

সুযোগ

চাকরি পাবার আগে দক্ষতা বাড়ান ।

জনপ্রিয়

গরম খবর